অর্ডার করতে শপিং আইকনে ক্লিক করুন অথবা whatsapp করুন | ঢাকার বাহিরে ফ্রজেন পণ্য অর্ডার করার পূর্বে কথা বলে নিবেন
product mustmilk logo
0
Your Cart
empty cart Your cart is currently empty! Return to Shop
Remove All Items
0
Your Cart
empty cart Your cart is currently empty! Return to Shop
Remove All Items

kath badam 500g

Original price was: 800.00৳ .Current price is: 720.00৳ .

  • স্বাস্থ্যকর পাকেজিং
  • কম বয়সের কচি বাদাম ।
  • কচি বাদাম হওয়ায় রসালো ।
  • সু-স্বাদু

Kath badam | পুষ্টিগুণ, স্বাদ এবং স্বাস্থ্য উপকারিতা

Mustmilk কাঠ বাদাম

কাঠ বাদাম ?

কাঠ বাদাম (Tropical Almond বা Indian Almond) হলো Terminalia catappa গাছের ফলের ভেতরে থাকা বাদামজাত বীজ।
এটির বাইরের অংশ শক্ত কাঠের মতো খোলসে আবৃত থাকে—সেখান থেকেই এর নাম “কাঠ বাদাম”

আকারে মাঝারি, স্বাদে এবং পুষ্টিতে এটি সাধারণ বাদামের থেকাও কয়েকগুণ বেশি । বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এটি বট বাদাম, বা ট্রপিক্যাল আলমন্ড নামেও পরিচিত।

 

কাঠ বাদামের পুষ্টিগুণ

মাঝারি হলেও কাঠ বাদাম পুষ্টিতে সমৃদ্ধ। এতে থাকে—

  • প্রাকৃতিক স্বাস্থ্যকর ফ্যাট
  • ভিটামিন ই
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট
  • ম্যাগনেশিয়াম
  • প্রোটিন

এগুলো আমাদের শরীরের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

Mustmilk কাঠ বাদাম

কাঠ বাদামের উপকারিতা

🔹 ১. হৃদপিণ্ড সুস্থ রাখ

কাঠ বাদামের স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হৃদপিণ্ডের জটিল সমস্যা কমাতে সাহায্য করে।

🔹 ২. মস্তিষ্কের শক্তি বাড়ায়

এতে থাকা ভালো ফ্যাট ও ভিটামিন মস্তিষ্কের কোষ সক্রিয় রাখে এবং স্মৃতিশক্তি উন্নত করে।

🔹 ৩. অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ

অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দেহের ক্ষতিকর ফ্রি-র‌্যাডিকেল কমিয়ে বার্ধক্য রোধে সহায়তা করে।

🔹 ৪. ত্বক ও চুলের জন্য ভালো

ভিটামিন ই ত্বককে মসৃণ ও উজ্জ্বল রাখে। চুলও ঘন ও স্বাস্থ্যকর করে।

🔹 ৫. প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে

যারা শরীরে ব্যথা বা প্রদাহে ভোগেন—কাঠ বাদাম তাদের জন্য উপকারী।

কাঠ বাদাম কীভাবে খাওয়া যায়?

  • শক্ত খোসা ভেঙে বীজ খাওয়া হয়।
  • হালকা ভাজা বা রোস্ট করে
  • নুন দিয়ে ভাজা (স্ট্রিট স্টাইল)
  • মিষ্টান্ন বা হোমমেড ডেজার্টে ব্যবহার

 

কাঠ বাদাম সাধারণত স্ন্যাক হিসেবে বেশি খাওয়া হয়, কিন্তু চাইলে রান্না ও বিভিন্ন খাবার তৈরিতেও ব্যবহার করা যায়। নিচে বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলো—

Mustmilk কাঠ বাদাম

কোথায় জন্মায়?

কাঠ বাদাম গাছ সাধারণত জন্মে—

 

  • ভারত
  • শ্রীলঙ্কা
  • মালদ্বীপ
  • দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া

এই গাছগুলো বড় এবং প্রশস্ত ডালের জন্য ছায়া দেয়, তাই রাস্তার ধারে বা সমুদ্রপাড়ে এগুলোর উপস্থিতি বেশি দেখা যায়। এ বাদাম বাণিজ্যিক ভাবে ব্যাপক চাষাবাদ হয়।

কাঠ বাদাম কি ধরনের রান্নায় ব্যবহার করা যায়?

কাঠ বাদামের স্বাদ সাধারণ বাদামের মতো হওয়ায় এটি অনেক রেসিপিতেই ব্যবহার করা যায়—বিশেষ করে যেখানে বাদাম বা কাজুবাদাম ব্যবহার করা হয়।

  • মিষ্টিজাত খাবারে ব্যবহার

কাঠ বাদাম দিয়ে বিভিন্ন মিষ্টি আইটেম তৈরি করা যায়—

✔️ পায়েস / ক্ষীর

বাদাম কুচি করে যোগ করলে স্বাদ বাড়ে।

✔️ হালুয়া

সুজি, মুগ ডাল বা গাজরের হালুয়ায় কাঠ বাদাম দারুণ মানানসই।

✔️ নারকেল বার / চিনিগুঁড়া বার

বাদাম কুচি করে টপিং হিসেবে দেওয়া যায়।

✔️ কেক ও পুডিং

কেকের বেটারে বা উপরে টপিং হিসেবে কাঠ বাদাম ব্যবহার করা যায়।

 

  • ঝাল/নোনতা খাবারে ব্যবহার

যেখানে বাদামের ফ্লেভার চাই—সেখানে কাঠ বাদাম খুব ভালো মানিয়ে যায়।

১. পোলাও

হ্যাঁ, পোলাওয়ে কাঠ বাদাম ব্যবহার করা যায়।

  • রোস্ট করে টপিং
  • কুচি করে ভাজা পেঁয়াজের সাথে মেশালে চমৎকার স্বাদ বাড়ে

২. রোস্ত (Roast)

রোস্তে সাধারণত বাদাম বা কাজুর পেস্ট দেওয়া হয়।
✔️ কাঠ বাদাম ভিজিয়ে পেস্ট করে দিলে গ্রেভি ঘন হয় এবং মিষ্টি ঘ্রাণ আসে।

 

৩. রেজালা

রেজালার সাদা-ঘন গ্রেভির জন্য বাদামের পেস্ট প্রয়োজন হয়।
✔️ কাঠ বাদাম পেস্ট কাজু বাদামের বিকল্প হিসেবে দারুণ কাজ করে।
✔️ স্বাদে হালকা মিষ্টি ঘন ভাব দেয়।

 

৪. বিরিয়ানি

বিরিয়ানিতে দুইভাবে ব্যবহার করা যায়—

  • রোস্টেড বাদাম টপিং
  • বাদামের পেস্ট (বিশেষ করে বোম্বাই স্টাইল বা লখনউ স্টাইলের বিরিয়ানিতে)

✔️ কাঠ বাদাম এই দুইভাবেই ব্যবহারযোগ্য।

 

৫. কাচ্চি বিরিয়ানি

কাচ্চিতে বাদাম পেস্ট সবসময় বাধ্যতামূলক না হলেও, যেসব কাচ্চিতে বাদাম পেস্ট দেওয়া হয়—
✔️ সেখানে কাঠ বাদাম পেস্ট ব্যবহার করে গ্রেভির ঘনত্ব বাড়ানো যায়।

 

৬. মোরগ পোলাও

মোরগ পোলাওয়ের জন্য বাদাম টপিং বেশ জনপ্রিয়।
✔️ কাঠ বাদাম রোস্ট করে টপিং দিলে সুস্বাদু লাগে।
✔️ চাইলে হালকা বাদাম পেস্টও গ্রেভিতে ব্যবহার করা যায়।

 

স্ন্যাক্স ও রোস্টেড আইটেম

কাঠ বাদাম সবচেয়ে জনপ্রিয়—

✔️ রোস্টেড স্পাইসি কাঠ বাদাম

নুন, মরিচ গুঁড়ো, লেবুর ছিটা দিয়ে ঝাল-মশলাদার স্ন্যাক।

✔️ হানি-রোস্টেড বাদাম

মধু ও তিল দিয়ে মিক্স করে ওভেনে শুকিয়ে নেওয়া যায়।

 

ড্রিংকস বা স্মুদি

✔️ মিল্কশেক বা স্মুদিতে

বাদাম ভিজিয়ে পেস্ট করে স্মুদিতে দেওয়া যায়—ঘনত্ব ও পুষ্টি বাড়ে।

✔️ বাদাম দুধ (Almond Milk Style)

কাঠ বাদাম দিয়ে হালকা স্বাদের বাদাম দুধ তৈরি করা যায়।

রান্নার জন্য কাঠ বাদাম কীভাবে প্রস্তুত করবেন?

✔️ ১. ভিজিয়ে নরম করা

গরম পানিতে ১–২ ঘণ্টা ভিজালে নরম হয়।
তারপর খোসা ছাড়িয়ে ব্যবহার করুন।

✔️ ২. পেস্ট তৈরি

ভেজানো কাঠ বাদাম ব্লেন্ডারে পেস্ট করে ঘন গ্রেভিতে ব্যবহার করা যায়।

✔️ ৩. রোস্ট করা

মাঝারি আঁচে শুকনো তাওয়া বা তেলে হালকা ভেজে টপিং হিসেবে ব্যবহার করুন।

 

অনেকেই কাঠ বাদাম রোদে শুকিয়ে সংরক্ষণ করেন দীর্ঘদিনের জন্য।

সতর্কতা

  • বাদামে অ্যালার্জি আছে এমন ব্যক্তিরা এড়িয়ে চলাই ভালো
  • অতিরিক্ত খাওয়া উচিত নয়
  • খুব শক্ত খোলস ভাঙার সময় সাবধান হতে হবে

কাঠ বাদাম — উৎপত্তি, চাষাবাদ, স্বাস্থ্যগুণ ও বাজার বিশ্লেষণ

কাঠ বাদামের উৎপত্তি, চাষাবাদ পদ্ধতি, বার্ষিক চাহিদা (দেশঅনুযায়ী), পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্যগত উপকারিতা, বিশেষজ্ঞ মতামত, ব্যবহারিক প্রয়োগ, বাজারে মূল্য, প্রকারভেদ ও রঙ, ক্রয় মাধ্যম তুলে ধরেছি।

  • উৎপত্তি ও ভৌগোলিক বিস্তার

কাঠ বাদামের উৎপত্তি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার উপকূলীয় অঞ্চলে ধরা হয়। এটি:

  • ভারত, বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা, মালদ্বীপ, ইন্দোনেশিয়া এবং ফিলিপাইনস-এ প্রচলিত।
  • সমুদ্রতীরবর্তী এলাকার মাটিতে ও শহরের রাস্তাঘাটে ছায়াদায় বেশি দেখা যায়।
  • চাষাবাদ পদ্ধতি

মাটি ও জলবায়ু: কাঠ বাদাম ট্রপিক্যাল ও সাবট্রপিক্যাল এলাকায় ভালো জন্মায়। ভালো নিষ্কাশন ব্যবস্থা থাকা মাটিতে এবং সমুদ্রের কাছাকাছি আর্দ্র আবহাওয়ায় এটি ভালো হয়।

বপন: বীজ থেকে সরাসরি বপন করা যায়। ভাল বপনের সময় বর্ষা বা বর্ষার আগে।

সেচ ও পরিচর্যা: মাঝারি সেচ প্রয়োজন হয়; স্থায়ীভাবে জলাবদ্ধ এলাকা এড়ানো ভালো। বৃদ্ধিতে মাঝে মাঝে তদারকি এবং আগাছা নিয়ন্ত্রণ করা উচিত।

ফসল তোলা: ফল পাকলে সংগ্রহ করা হয়; খোলস ভেঙে ভিতরের বীজ সংগ্রহ করা হয়। এ ছাড়া শুকিয়ে সংরক্ষণ করা যায়।

  • বার্ষিক চাহিদা (দেশঅনুযায়ী — প্রাক্কলন)

নির্দিষ্ট সরকারি পরিসংখ্যান না থাকায় নীচের সংখ্যা বাজার লক্ষণ ও স্থানীয় চাহিদার ওপর ভিত্তি করে আনুমানিক প্রস্তাব:

  • বাংলাদেশ: রাস্তার পার্ক, উপকূলীয় এলাকায় প্রচলন থাকার কারণে বার্ষিক লোকে সংগ্রহ-ভিত্তিক চাহিদা কিছুটা মৌসুমি; বাণিজ্যিক চাহিদা সীমিত। আনুমানিক বাণিজ্যিক চাহিদা: ১০–৫০ টন (স্থানীয় বাজার ভিত্তি)।
  • ভারত (উপকূলীয় রাজ্যসমূহ): রোজগার ও প্যাকজাত রপ্তানিতে বড় চাহিদা; আনুমানিক ৫০০ টন।
  • শ্রীলঙ্কা ও মালদ্বীপ: স্থানীয় ও পর্যটন চাহিদা সীমিত; আনুমানিক ৫০–১০০ টন।
  • দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (একত্রে): ৫০০–১০০০ টন (বাজার ও রপ্তানি মিলিয়ে)।

দ্রষ্টব্য: এগুলি আনুমানিক পরিসংখ্যান। নির্ভুল রিপোর্টের জন্য স্থানীয় কৃষি বা বাণিজ্যিক জরিপ প্রয়োজন।

  • স্বাস্থ্যগুণ ও পুষ্টিগুণ

কাঠ বাদাম ছোট হলেও পুষ্টিতে সমৃদ্ধ:

  • স্বাস্থ্যকর চর্বি: মোনো- ও পলি-আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে।
  • ভিটামিন ই: ত্বক ও কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে।
  • অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট: ফ্রি র্যাডিক্যাল কমায়।
  • প্রোটিন ও মিনারেল: পরিমাণমতো প্রোটিন, ম্যাগনেশিয়াম ও পটাশিয়াম পাওয়া যায়।

স্বাস্থ্যগত উপকারিতা

  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।
  • স্মৃতি ও মানসিক কার্যক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করে।
  • ত্বক ও চুলের পুষ্টি বাড়ায়।
  • প্রদাহ ও আঘাত-প্রতিক্রিয়া কমাতে সহায়তা করে।

সতর্কতা: বাদাম অ্যালার্জি থাকলে ব্যবহার বন্ধ রাখুন। অতিরিক্ত গ্রহণ বদহজম/বেশি ক্যালোরি দিতে পারে।

  • বিশেষজ্ঞদের মন্তব্য (সংক্ষেপে)

আমাদের যোগাযোগ ও বাজার পর্যবেক্ষণ থেকে সঞ্চিত কিছু মতামত:

  • কৃষিবিদ: কাঠ বাদাম একটি কম রক্ষণশীল এবং টেকসই ফসল; উপকূলীয় এলাকায় মাটির ক্ষয় রোধে সহায়ক।
  • পুষ্টিবিদ: কাঠ বাদামের পুষ্টিমান ভালো, তবে সাধারণবাদামের বিকল্প হিসেবে পুরোপুরি প্রতিস্থাপন নয়; এর স্বাদ ও পুষ্টিগুণ নির্দিষ্ট পরিমাণে উপকারী।
  • স্থানীয় ব্যবসায়ী: পরিবেশ বান্ধব, শুকিয়ে লোড-শেয়ার করা যায়; স্থানীয়ভাবে বিক্রি করলে ভালো মুনাফা থাকার সম্ভাবনা আছে।

(উল্লেখ্য: উপরের মন্তব্যগুলো মুলত জনসমীক্ষা ও ক্ষেত্রি পর্যবেক্ষণের ভিত্তিতে উপস্থাপিত। নির্দিষ্ট গবেষণার জন্য একাডেমিক স্টাডি প্রয়োজন।)

  • ব্যবহার ও প্রয়োগ

  • খাদ্য: তাজা বা রোস্ট করে স্ন্যাক হিসেবে খাওয়া হয়।
  • বাণিজ্যিক: রোস্ট করে প্যাকেটজাত করে বিক্রি।
  • গৃহস্থালি: মাঝে মাঝে মিষ্টি বা স্থানীয় রেসিপিতে ব্যবহার।
  • চিকিৎসাগত (বহিঃপ্রয়োগ): ত্বক সুরক্ষায় স্থানীয়ভাবে কিছু ঐতিহ্যিক ব্যবহার পরিলক্ষিত।
  • মূল্য — দেশঅনুযায়ী (অন্যায়িক মাপকাঠি)

বাজার মূল্য সময় ও উৎসের উপর নির্ভর করে। আনুমানিক মূল্যসমূহ (স্থানীয় বাজারে বিক্রয় ভিত্তিতে):

  • বাংলাদেশ: প্রতি কেজি (বাদাম অংশ) ৳১২৫০–৳১৫০০ (কাঁচা/শুকনো অনুযায়ী)।
  • ভারত: INR ১০৫০–১৬০০ প্রতি কেজি (রাজ্যভেদে)।
  • শ্রীলঙ্কা/মালদ্বীপ: বেশি করে বিক্রি হতে পারে—$১০–$১৮ প্রতি কেজি (স্থানীয় মুদ্রায় ভিন্ন)।
  • রপ্তানি/প্রসেসড প্যাক: গুণগত মান ও প্যাকেজিং অনুযায়ী মূল্য কয়েকগুণ বাড়তে পারে।

( দ্রষ্টব্য: স্থানীয় বাজার, মৌসুমী সরবরাহ ও প্যাকেজিং প্রযুক্তি মূল্য নির্ধারণে বড় ভূমিকা রাখে। সঠিক মূল্য জানার জন্য স্থানীয় মার্চেন্ট বা কৃষি বাজার অনুসন্ধান করা উচিত।)

  • প্রকারভেদ ও রঙ

প্রকারভেদ (সাধারণ শ্রেণিবিভাগ)

  • স্থানীয় বা দেশীয় কাঠ বাদাম: রঙ ও আকারে পরিবর্তনশীল; স্বাদও ভিন্ন হতে পারে।
  • বাণিজ্যিক/প্রক্রিয়াজাত: পরিষ্কার, শুকনো ও প্রক্রিয়াজাত প্যাকিংএর জন্য আলাদা শ্রেণি।

রঙ

  • বাইরের খোলস: সবুজ থেকে বাদামী-লালচে (পাকগালে) পর্যন্ত রঙিন।
  • ভিতরের বীজ: সাদা-হালকা বাদামী থেকে গাঢ় বাদামী—পাকানো ও প্রক্রিয়াজাতকালে রঙ পরিবর্তিত হয়।         

    ক্রয় মাধ্যম (বাংলাদেশ কেন্দ্রীক)

  • স্থানীয় বাজার/ মার্কেট: সংগ্রহকারীদের থেকে সরাসরি পাওয়া যায়।
  • অনলাইন/ই-কমার্স: নির্দিষ্ট সেলার বা প্রক্রিয়াজাত প্যাক পাওয়া যায়।
  • ফার্ম টু কনজিউমার: যদি কৃষক সরাসরি বিক্রি করে—তাহলে কাঁচা বা শুকনো ওবস্থায় পাবেন।
  • MustMilk-এর মাধ্যমে ক্রয়: MustMilk পণ্যের মান মেনে প্রক্রিয়াজাত বা নির্বাচিত সরবরাহকারীদের মাধ্যমে স্থানীয়ভাবে গ্রাহকদের কাছে সরবরাহ করে।

মন্তব্য ও সুপারিশ

MustMilk সবসময়ই খাদ্যদানে সততা, গুণগততা ও গ্রাহকসেবা ভেবে কাজ করে। কাঠ বাদাম সম্পর্কিত আমাদের সুপারিশগুলি:

  1. গুণগত মান যাচাই: ক্রয়ের সময় খোলস ও বীজের রঙ, গন্ধ ও আর্দ্রতা নিশ্চিত করুন।
  2. স্থায়ী সরবরাহ: স্থানীয় চাষীদের সাথে কাজ করে টিকে থাকা সরবরাহ ব্যবস্থা গড়া জরুরি— এতে সঠিক পুস্তীগুণ ও দাম স্থিতিশীল থাকবে।
  3. প্রক্রিয়াজাতকরণ: গ্রাহক স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য ভোজ্য অংশ পরিষ্কার প্যাকেজিং করে বিক্রি
  4. স্বাস্থ্য সচেতনা: অ্যালার্জি বা কোনো অসুবিধা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
  5. মানসম্পন্ন পণ্য : MustMilk -মানসম্মত কাঠ বাদাম সরবরাহ করে গ্রাহকের জন্য প্রস্তুত করে ।

উপসংহার

কাঠ বাদাম—একটি ঐতিহ্যবাহী, পুষ্টিকর এবং সহজলভ্য । যথাযথ চাষাবাদ, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বাজারজাতকরণ করলে এটি স্থানীয় অর্থনীতি ও পুষ্টি নিরাপত্তায় একটি ভূমিকা রাখতে পারে। 

MustMilk গ্রাহকদের জন্য সতেজ ও বিশ্বাসযোগ্য পণ্য নিয়ে আসতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

যোগাযোগ:

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “kath badam 500g”

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Related Product

জাফরান 2g

Original price was: 1,300.00৳ .Current price is: 900.00৳ .

মোরব্বা 500g

Original price was: 250.00৳ .Current price is: 200.00৳ .

saffron 1 g.

Original price was: 650.00৳ .Current price is: 480.00৳ .